Empress desk
;
Empress desk
Update : Sunday 19th April 2026, 12:06 pm
Online Edition
ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করে কোনো জাহাজ এই জলপথ অতিক্রমের চেষ্টা করলে তা সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এ ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে এবং এই পথ দিয়ে চলাচলের যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
আইআরজিসি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজ ও বন্দরের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই প্রণালি বন্ধই থাকবে। সংস্থাটি দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে এ ধরনের অবরোধ যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে অবস্থানরত কোনো জাহাজ যেন তাদের নির্ধারিত নোঙরস্থান ত্যাগ না করে এবং হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর না হয়। এ নির্দেশনা অমান্য করলে তা শত্রুপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
এদিকে, ইরানের স্পিকার ও যুদ্ধবিরতি আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘অপরিণামদর্শী ও অজ্ঞতাপ্রসূত’ বলে মন্তব্য করেন।
এর আগে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে স্বল্প সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে ইরান।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জলপথটি সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমে যায়। তবে পরবর্তীতে আইআরজিসি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করলে পরিস্থিতি আবারও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে।